মৃত্যুর তিন ঘন্টা পর দেহে থাকে না করোনা ভাইরাস বলছেন বিশেষজ্ঞরা

মৃত্যুর তিন ঘন্টা পর দেহে থাকে না করোনা ভাইরাস বলছেন বিশেষজ্ঞরা

সারা পৃথীবি গ্রাস করে নিয়েছে করোনা ভাইরাস ,কেরে নিয়েছে লক্ষ লক্ষ নিরীহ প্রান । বৃদ্ধ,যুবুক,পুরুষ,মহিলা এমনকি মায়ের কোলের ছোট্ট শিশুটিকেও ছারে নি করোনা ভাইরাস ।কোভিড ১৯ বা করোনা ভাইরাস কেরে নিয়েছে সাড়ে ৩ লক্ষেরও বেশি নিরীহ মানুষের প্রান ।এছারাও ৬০ লক্ষেরো বেশি মানুষ করোনা আক্রান্ত হয়েছেন করোনা ভাইরাস,আর এই সংখ্যা দিন দিন বেড়েই চলেছে ।পরিস্থিতি এতোটাই ভয়াবহ যে মৃত্যু মানুষদের লাশগুলোকে কবর দেওয়া নিয়েও দেখা দিয়েছে ভয়। 
একে তো করোনায় ভয়ে করোনায় আক্রান্ত মৃত্যু মানুষদের লাশগুলোকে ভালোভাবে ধোয়া এবং জানাযা করা ছারাই কবর দিয়ে দেওয়া হচ্ছে ।অন্যদিকে দিন দিন লাশের সংখ্যা এত বেশি হয়ে যাচ্ছে যে লাশগুলোকে কবর দেওয়ার জায়গার সঙ্ককুলন করা সম্ভব হয়ে উঠছে না ।

সারা পৃথীবীর মতো বাংলাদেশেও দেখা দিয়েছে ঠিক একি ঘটনা।করোনা ভাইরাসের ভয়ে করোনায় আক্রান্ত মৃত্যু ব্যক্তিদের লাশগুলকে ভালোভাবে গোসল এবং জানাযা করা ছাড়াই কবর দিয়ে দেওয়া হচ্ছে।

ঠিকি এরই মাঝে কিছুটা স্বস্থীর কথা জানালেন স্বাস্থ্য ধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) নাসিমা সুলতানা ।

৩রা জুন (বুধবার) দুপুরে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত সংবাদ বুলেটিনে মৃত ব্যক্তির লাশ দাফন সম্পর্কে অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) নাসিমা সুলতানা বলেন ,
করোনাভাইরাসের সংক্রমণে আক্রান্ত হয়ে মারা যাওয়া ব্যক্তির শরীরে তিন ঘণ্টা পর আর ভাইরাসের কার্যকারিতা থাকে না। একই সঙ্গে করোনায় মৃত হিসেবে আলাদা কোনো কবরস্থান নির্দিষ্ট করার দরকার নেই।

নাসিমা সুলতানা আরও বলেন, ‘ বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) বলেছে, এটা প্রমাণিত হয়নি মৃত ব্যক্তির কাছ থেকে অন্য ব্যক্তির দেহে করোনাভাইরাস ছড়িয়েছে। মৃতদেহ সৎকার করতে তিন-চার ঘণ্টা সময় লেগেই যায়। তিন ঘণ্টা পর মৃত ব্যক্তির শরীরে এই ভাইরাসের আর কার্যকারিতা থাকে না। সে জন্য মৃতদেহ থেকে ভাইরাস ছড়ানোর কোনো আশঙ্কা নেই।

কোভিডে আক্রান্ত হয়ে যারা মারা গিয়েছেন তাদের  সৎকার যেকোনো জায়গায় করা যাবে উল্লেখ করে স্বাস্থ্য ধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) নাসিমা সুলতানা  বলেনমুসলিম ধর্মাবলম্বীরা কবরস্থানে কিংবা পারিবারিক কবরস্থানে মৃতদেহ দাফন করতে পারবেন। অন্য ধর্মাবলম্বীরাও তাঁদের বিধি অনুযায়ী যেকোনো জায়গায় মৃতদেহের সৎকার করতে পারবেন। তিনি বলেন, ‘করোনায় মৃত ব্যক্তির দাফন, সৎকার বা ব্যবস্থাপনার নির্দেশনা স্বাস্থ্যসেবা অধিদপ্তরের (ডিজিএইচএস) ওয়েবসাইটে রয়েছে। তবু বিশেষভাবে সবার অবগতির জন্য বলতে চাই, মৃতদেহ নিজ নিজ ধর্মীয় বিধি অনুযায়ী সতর্কতা অবলম্বন করে দাফন বা সৎকার করা যায়।

অতিরিক্ত মহাপরিচালক আরও বলেননিয়ম অনুযায়ী মৃতদেহের সব আনুষ্ঠানিকতা শেষে বডি ব্যাগ বা তা না পাওয়া গেলে পলিথিনে মুড়িয়ে মনোনীত কবরস্থান বা পারিবারিকভাবে নির্ধারিত স্থানে দাফন করা যাবে। শুধু করোনায় মৃত হিসেবে আলাদা কোনো কবরস্থান নির্দিষ্ট করার দরকার নেই। পারিবারিক কবরস্থানেই এই মৃতদেহ দাফন করা যাবে এবং অন্য ধর্মের জন্য সৎকার করা যাবে।জ

উল্লেখ থাকে যে,বাংলাদেশে এখন পর্যন্ত পঞ্চান্ন হাজার একশত তেপান্ন  (৫৫,১৫৩) জনের শরীরে করোনা ভাইরাস শনাক্ত করা হয়েছে,এবং করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে প্রাণ হারিয়েছেন ৭৮৬ জন নীরিহ মানুষ । 

অন্যদিকে ওয়ার্ল্ডোমিটারের  তথ্যানুযায়ী বিশ্বে এখন পর্যন্ত করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ৩ লাখ ৮২ হাজার ৪১২ জন। এছাড়া এ ভাইরাস শনাক্ত হয়েছে ৬৪ লাখ ৮৫ হাজার ৫৭১ জনের শরীরে।



Post a Comment

0 Comments