কি হবে যদি আমাদের মহকাশ থেকে সুর্য চুরি হয়ে জায়???

কি হবে যদি আমাদের মহকাশ থেকে সুর্য চুরি হয়ে জায়???


কখনো ভেবে দেখেছেন  কি হবে যদি বাইরের সৌরজগতের কোনো এলিয়েন স্পেস শিপ এসে আমাদের সুর্যকে চুরি করে নিয়ে জায়?

 যদি আমাদের মাঝ থেকে কোনদিন সুর্য হারিয়ে জায় তখন কি হবে আমাদের এই সোউরোজগতের কি হবে আমাদের এই পৃথীবির কি হবে আমাদের মানব্জাতির...

 যদি বিষয় টি স্পমুর্ন কাল্পনিক তবুও চলুন একবার কল্পনা করে দেখি যদি কোনোদিন  আমাদের মাঝ থেকে সুর্য হারিয়ে জায় তখন কি হবে ???

 

কল্পনা করে দেখুন সুর্যের চেয়েও বড় কোনো এলিয়েন স্পেসসিপ এসেছে আমাদের সুর্যকে চুরি করতে। এলিয়েন স্পেসসীপ তাদের সাথে এমন একটি এডভান্স মেশিন নিয়ে এসছে জেটিতে করে তারা সুর্যকে তাদের সাথে নিয়ে জেতে পারে।এদিকে আমরা পৃথীবির মানুশ এই বিষয় থেকে সম্পুর্ন অজানা এমনকি নাসাও এ বিষয়ে কিছু জানে না।

এলিয়েন স্পেসসীপ্টি জখনি সুর্য কে চুরি করার জন্য সুর্যকে সামান্য নড়াচরা করবে ঠিক তখনি আমাদের মিল্কিওয়ে গ্যলাক্সির সকল গ্রহ উপগ্রহ গুলো জেগুলো সুর্যের মহাকর্ষ বলের কারনে তাদের নির্দিষট কক্ষপথে চলছিলো সেই সকল গ্রহ উপগ্রহ গুলো যেমন বুধ শ্রক্র মজ্ঞল এমনকি আমাদের এই পৃথীবিও তার নিদির্ষ্ট কক্ষপথে থেকে বের হয়ে এলোমেলো ভাবে ভাস্তে থাকবে এই সীমাহিন মহাকাসে।

কি হবে যদি আমাদের মহকাশ থেকে সুর্য চুরি হয়ে জায়???

অন্যদিকে পৃথিবির জেই অংশে দিন ছিলো শেই অংশও এখনো ঠিক আগের মতোই আছে ।।ঠিক আগের মতোই সেখানে সুর্য দেখা জাচ্ছে।পৃথিবির মানুশ এখনো জান্তেই পারে নি যে মহাকশ থেকে সুর্য চুরি হয়ে গেছে ।।এর কারন হলো আমরা সবাই জানি পৃথিবিতে সুর্য রশ্মি আস্তে ৮ মিনিট ২০ সেকেণ্ড সময় লাগে ।তাই ৮ মিনিট ২০ সেকেন্ড পরযযন্ত পৃথিবির মানুষ জান্তেই পারবে না মহাকাশের সবচ্যে গুরুত্বপুর্ন এবং এক্মাত্র নক্ষত্র চুরি হয়ে গেছে ।

এখন ৮  মিনিট ২০ সেকেন্ড পাড় হয়ে গেছে ।।হটাত করে পুরো পৃথিবিতে অন্ধকার নেমে আসে ।পৃথিবির যে অংশে দিন ছিলো সেই অংশেও এখন অন্ধকার এ ঢেকে গেছে । ১ সেকন্ডের ব্যব্ধানে পৃথিবিতে নেমে আসে রাতের মতোই অন্ধকার।।রাতের মতোই আকাশে দেখা জাচ্ছে লক্ষ লক্ষ তারা।।কিন্তু আপনি লক্ষ করে দেখলেন তারা গুলোদেখা গেলেও চাঁদ দেখা জাচ্ছে না।এমনকি এর সাথে সাথে দেখা জাচ্ছে না সৌর জগতের অন্য গ্রহ গুলো ।কারন আমারা জানি যে চাদের নিজ্বস কোনো আলো নেই।।সুর্যের আল চাদে পড়ার কারনেই চাদকে আলোকিত করে ।কিন্তু এখন সুর্যই তো নেই।।তাই আপনি রাতের আকাশে তারা দেখতে পারলেও চির পরিচিত চাদকে দেখতে পারছেন না।

 

এখন এক ঘন্টা পার হয়ে গেছে।এতখনে পৃথিবি জেই অংশে রাত ছিলো সেই পারের মানুষ গুলো জান্তে পেরে  গেছে । কিন্তু পৃথিবর মানুষ এখনো জানে না ঠিক কি কারনে এমন হচ্ছে ।

এভাবেই কেটে গেল ২৪ ঘন্টা ।পৃথবির মানুষ আশা করছে হয়তো সুর্য উঠবে নতুন দিন শুরু হবে ।কিন্তু না।।সুর্য উঠলো না নতুন দিনো শুরু হলো না ।

২৪ ঘন্টা পর নাসা জানতে পারলো মহাকাশ থেকে সুর্য চুরি হয়ে গেছে ।

মহাকাশে সুর্য না থাকার কারনে সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয়েছে পৃথিবির উদ্ভিত প্রজাতির কারন স্ররয রশ্মির কারনে ফটসিন্তেসিস এর মাধ্যমে উদ্ভিত জেই খাবার তৈরি করত সেই প্রক্রিয়া বন্ধ হয়ে গেছে ।পৃথিবির মানুষ এখন জানতে পেরেছে মহাকাশে সুর্য নেই ।।পৃথিবির মানুষ আসা করে আছে হয়তো নাসা কিছু করতে পারবে কিন্তু না ।।নাসাও কিছু করতে পারছে না ।

 

৭ দিন পর ।।


মহাকশ থেকে সুর্য চুরি হওয়ার ৭ দিন হয়ে গেছে ।।৭ দিন হয়ে গেলো মহাকশে সুর্য নেই।এই সাত দিনের মাঝে পৃথিবতে পরিবির্ত সুরু হয়ে গেছে ।জেই উদ্ভিত গুলো সুর্য রশ্নির সাহাজে খাবার তৈরী করত সেই উদ্ভিত গুলো খাবার তৈরি করতে না পেরে এতোদিনে মৃত প্রায় ।অন্যদিকে ৭ দিন সুর্য না থাকার কারনে পৃথিবির তাপমাত্রতেও অনেক কমে গেছে ।পৃথিবি এখন আস্তে আস্তে সীতল হয়ে আসছে । সুর্য না থাকার কারনে  বায়ুমন্ডলেও পরিবর্তন দেখা দিয়েছে।বায়ু মন্ডলে কার্বন-ডাই অক্সাইড এর পরিমান ধীরে ধীরে বৃধ্বি পাচ্ছে ।।

টিভি ইন্টারনেট সব কিছু বন্ধ হয়ে গেছে ।কারন স্যাটেলাইট সোনার প্যনালের মাধ্যমে সুর্য থেকে শক্তি পেত এখন সুর্য নেই তাই স্যাটেলাইট গুলোউ বন্ধ হয়ে গেছে ।

এতোদিন বিদ্যুত ছিলো কিন্তু দিন পর এখন সারা পৃথবীর কোথাও কোনো বিদু্যত নেই কোথাও কনো আলো নেই ।পুরো পৃথিবি এখন অন্ধকার।কেউ আর তাদের রিলেটিভ এর সাথে কথা বলতে পারছে না।কারন ৭ দিন বিদ্যুত না থাকার কারনে সকল মোবাইল ফোন ল্যন্ড লাইন সব কিছু বন্ধ হয়ে গেছে ।জেই পৃথিবি ফোন এবং ইন্টারনেটের উপর নির্ভত ছিলো দেখতে দেখতে সেই পৃথিবি এখন স্পমুর্ন ভাবে ডিস্কানেট...

 

১ মাস পর।

এমনি ভাবে কেটে গেল একটটি মাস।পৃথিবির তাপমাত্র কমে কমতে -২০ ডিগ্রইতে চলে এসেছে।।এখন পৃথির তাপমাত্রা -২০ডিগ্রি সেয়ালসিয়াস...জেমন্টা আমরা জানি ০ দিগ্রির নিচে পানি বরফ হয়ে জায় এখন -২০ ডিগ্রি সেয়াল সিয়াস হয়ার কারনে প্রিথিবির সকল তরল বরফ হয়ে গেছে পৃথিবির সকল নদি নালার পানি এমনকি সকল সমুদ্রের পানি গুল জমে বরফ হয়ে গেছে ।পৃথিব সকল গাছপালা গুলো এতোদিনে মরে গেছে ।কারন ১ মাস সুর্য না থাক্র কারনে গাছপালা গুলো খাবার তৈরি করতে পারছে না ।।

পৃথিবিতে এখন সময়ের কোনো মুল্য নেই কারন কারন পৃথবিতে এখন  আর দিন হয় না।স্রা পৃথিবি এখন অন্ধকার ময় ।।এখন আর আগাএর মতো দিন হয় না আর সুর্য উঠে না । আকাশের তারাগুলো আর আগের মতো দেখা জাচ্ছে না তারাগুলো এখন অন্য রকম দেখা জাচ্ছে কারন পৃথব মহাকাশে ভাস্তে ভাস্তে অজানা জায়গায় পৌছে গেছে ।

কি হবে যদি আমাদের মহকাশ থেকে সুর্য চুরি হয়ে জায়???

৬ মাস পর

সুর্য চুরি হওয়ার ৬ মাস হয়ে গেছে ।পৃথিব্র তাপমাত্রা এখন -৪০ ডিগ্রি।পৃথবর সকল গাছপালা মরে গেছে।খাবার না পেয়ে এবং অতিরিক্ত ঠান্ডার কয়ারনে সকল জীব জন্তু এতোদিনে মড়ে গেছে ।সমুদ্রের পানি গুলো বরফ হয়ে জাওয়ার কারনে সমুদ্রের প্রানি গুলো এতোদিনে মরে গেছে ।

 

১ বছর পর...

১ বছর পর পৃথিবির সকল কিছু এখন বরফের নিচে।বরফ এর স্তর আগের চেয়ে হাজার গুন মোটা হয়ে গেছে ।পৃথিবির সকল শহর গুলো এখন বরফ এর নিচে।

কিন্তু এখনো এক জায়গায় প্রানি রয়েছে ।সমুদ্রের সবচেয়ে নিচের অংশের কিছু প্রানী এখনো বেচে আছে কারন স্মুদ্রের একদম নিচের অংশে এখনো সামান্য পানি আছে । আর পানি থেকে অক্সিজেন সংগ্রহ করে তারা বেচে আছে ।


১০০০ বছর পর

 

কি হবে যদি আমাদের মহকাশ থেকে সুর্য চুরি হয়ে জায়???

১০০০ হাজার বছর হয়ে গেছে পৃথিবিতে সুর্য ঊথে নি।জার কারনে পৃথিবির সকল কিছু শেষ হয়ে গেছে পৃথিবিতে এখন আর কোনো প্রান নেই,নেই কোনো উদ্ভিত নেই কোনো প্রানি নেই কোনো পানি ।।এমনকি পৃথিবির  সকল মানুষ এখন মৃত্যু ।

প্ররথিবির  সব কিছু শেষ হিয়ে গেলেও  আমাদের পৃথিবি নামের গ্রহ টি এখনো আছে।আমাদের চির চেনা পৃথিবি এখন আর আগের মতো লাগে না ।আমাদের পৃথিবি এখন পুরোটাই বরফের চাদরে ঢাকা।মহাকশ থেকে পৃথিবি এখন এরকম দেখতে লাগে ।

 

১৫০০ বছর পর,

১৫০০ বছর পার হয়ে গেছে ।পৃথিবি আর আগের পৃথিবি নেই ।এখন শুঢু পৃথিবি নামাএর গ্রহটি বেচে আছে ।পৃথিবি ন্মাএর গ্রহটি ভাস্তে ভাস্তে এখন এক অজানা জায়গায় পৌছে গেছে ।আর সৌরজগতের অন্য গ্রহ গুলো এখন প্রিথিবি থেকে কোটি কোটি কিলোমিটার দূরে চিলে গেছে ।

পৃথিবি নামের গ্রহ টি ভাস্তে ভসাতে  এমন জায়গাইয় চলে এসেছে যেখানে হাজার হাজার এস্ট্রোয়েড উরে বেরাচ্ছে ।

পৃথিবির এই অজানা সফরের শেষ পৃথিবি ভাস্তে ভাস্তে এক সময় অনেক বরো এবং অনেক দ্রুত আস্তে থাকা একটি এস্ট্রয়েড এর সাথে বিস্ফোরন হয়ে গেল

আর এখন সব শেষ।শেষ হয়ে গেছে পৃথিবির সব কিছু সেষ হয়ে গেছে মানবজাতি।এমঙ্কি শেশ হোয়ে গেছে পৃথবি নামের গ্রহটি ।

 

 

 


Post a Comment

0 Comments